ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…

ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…

১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধানক্ষেতে রোপণের সময় ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. আবুল হাশেম ও মো. ইউনুস নামের দুই কৃষক মারা যান। ঘটনাটি পাইন্দং ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ার ফকিরাচাঁন গ্রাম, ভূজপুর ইউনিয়নের মাদার্শাবাড়ী এলাকা এবং পাইন্দং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিল এলাকায় ঘটে। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মূল সংবাদসূত্রের ছবি: প্রথম আলো · ১৯ জুল, ২০২৬ / নথি হালনাগাদ ২০ জুল, ২০২৬প্রতিবেদিত মৃত্যু
মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
সমন্বিত প্রতিবেদন
প্রতিবেদিত তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। এই বিবরণে সম্পর্কিত সংবাদ প্রতিবেদন একত্র করা হয়েছে। নিচের সূত্র ও প্রকাশক্রম পড়ুন।
সর্বশেষ সমন্বিত বিবরণ
১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধানক্ষেতে রোপণের সময় ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. আবুল হাশেম ও মো. ইউনুস নামের দুই কৃষক মারা যান। ঘটনাটি পাইন্দং ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ার ফকিরাচাঁন গ্রাম, ভূজপুর ইউনিয়নের মাদার্শাবাড়ী এলাকা এবং পাইন্দং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিল এলাকায় ঘটে। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
প্রতিবেদিত ধরন ও সংশ্লিষ্ট সত্তা
আলাদা ফলাফল; গুরুতর আহত মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
২ প্রতিবেদিত মৃত্যু
০ প্রতিবেদিত আহত
প্রতিটি চিহ্ন একজন প্রতিবেদিত ব্যক্তিকে বোঝায় (সর্বোচ্চ ২০০টি)। মোট সংখ্যা শনাক্ত ব্যক্তিদের তালিকা নয়।
অজানা মানও দৃশ্যমান। ধরন ও জনগোষ্ঠীর হিসাব একাধিক ক্ষেত্রে থাকতে পারে।
হাসপাতালে ভর্তি বা গুরুতর আহতের সংখ্যা মোট আহতের সঙ্গে যোগ করবেন না।
২ টি নামযুক্ত নথি · পরিচয় ও মোট হতাহতের হিসাব আলাদা
সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সত্তার প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষিত
নথিভুক্ত সম্পৃক্ততা ও আইনি অবস্থা
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
প্রতিবেদিত আইনি অবস্থা দেখানো হয়েছে; এটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘোষণা নয়।
প্রতিবেদিত পদক্ষেপ; অনির্দিষ্ট সময় অজানা হিসেবেই থাকে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।
সংযুক্ত প্রতিবেদনের প্রকাশক্রম
দৈনিক আমার দেশ
দৈনিক যুগান্তর
এই ধারায় প্রকাশের তারিখ দেখানো হয়েছে। আগের হতাহতের আলাদা হিসাব নেই; বর্তমান সংখ্যাকে প্রতিটি প্রতিবেদনের তৎকালীন সংখ্যা হিসেবে পড়বেন না।
প্রতিবেদিত ভৌগোলিক বিস্তার
ঘটনার স্থান জানা থাকলেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিস্তার জানা যায় না।