ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…

ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…
ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে শুক্রবার গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে আবদুস সালাম শিকদার (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০) নিহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তাঁরা তাঁদের সন্তান ও এক নাতিকে নিরাপদে বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারলেও ঘর থেকে বের হতে না পেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।
মূল সংবাদসূত্রের ছবি: দৈনিক যুগান্তর · ৯ মে, ২০২৬ / নথি হালনাগাদ ১১ জুন, ২০২৬প্রতিবেদিত মৃত্যু
মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
সমন্বিত প্রতিবেদন
প্রতিবেদিত তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। এই বিবরণে সম্পর্কিত সংবাদ প্রতিবেদন একত্র করা হয়েছে। নিচের সূত্র ও প্রকাশক্রম পড়ুন।
সর্বশেষ সমন্বিত বিবরণ
ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে শুক্রবার গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে আবদুস সালাম শিকদার (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০) নিহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তাঁরা তাঁদের সন্তান ও এক নাতিকে নিরাপদে বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারলেও ঘর থেকে বের হতে না পেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।
প্রতিবেদিত ধরন ও সংশ্লিষ্ট সত্তা
আলাদা ফলাফল; গুরুতর আহত মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
২ প্রতিবেদিত মৃত্যু
০ প্রতিবেদিত আহত
প্রতিটি চিহ্ন একজন প্রতিবেদিত ব্যক্তিকে বোঝায় (সর্বোচ্চ ২০০টি)। মোট সংখ্যা শনাক্ত ব্যক্তিদের তালিকা নয়।
অজানা মানও দৃশ্যমান। ধরন ও জনগোষ্ঠীর হিসাব একাধিক ক্ষেত্রে থাকতে পারে।
হাসপাতালে ভর্তি বা গুরুতর আহতের সংখ্যা মোট আহতের সঙ্গে যোগ করবেন না।
২ টি নামযুক্ত নথি · পরিচয় ও মোট হতাহতের হিসাব আলাদা
সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সত্তার প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষিত
নথিভুক্ত সম্পৃক্ততা ও আইনি অবস্থা
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
প্রতিবেদিত আইনি অবস্থা দেখানো হয়েছে; এটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘোষণা নয়।
প্রতিবেদিত পদক্ষেপ; অনির্দিষ্ট সময় অজানা হিসেবেই থাকে
দোহার ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংযুক্ত প্রতিবেদনের প্রকাশক্রম
বিডিনিউজ ২৪
দৈনিক যুগান্তর
এই ধারায় প্রকাশের তারিখ দেখানো হয়েছে। আগের হতাহতের আলাদা হিসাব নেই; বর্তমান সংখ্যাকে প্রতিটি প্রতিবেদনের তৎকালীন সংখ্যা হিসেবে পড়বেন না।
প্রতিবেদিত ভৌগোলিক বিস্তার
ঘটনার স্থান জানা থাকলেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিস্তার জানা যায় না।