ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…

ROKTAKTO / রক্তাক্ত
Loading reports… / প্রতিবেদন লোড হচ্ছে…

২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ৪,৬৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৭ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে বরিশাল বিভাগে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
মূল সংবাদসূত্রের ছবি: প্রথম আলো · ২১ জুন, ২০২৬ / নথি হালনাগাদ ২১ জুন, ২০২৬প্রতিবেদিত মৃত্যু
মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
সমন্বিত প্রতিবেদন
প্রতিবেদিত তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। এই বিবরণে সম্পর্কিত সংবাদ প্রতিবেদন একত্র করা হয়েছে। নিচের সূত্র ও প্রকাশক্রম পড়ুন।
সর্বশেষ সমন্বিত বিবরণ
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ৪,৬৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৭ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে বরিশাল বিভাগে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
আলাদা ফলাফল; গুরুতর আহত মোট আহতের অন্তর্ভুক্ত
৭ প্রতিবেদিত মৃত্যু
০ প্রতিবেদিত আহত
প্রতিটি চিহ্ন একজন প্রতিবেদিত ব্যক্তিকে বোঝায় (সর্বোচ্চ ২০০টি)। মোট সংখ্যা শনাক্ত ব্যক্তিদের তালিকা নয়।
অজানা মানও দৃশ্যমান। ধরন ও জনগোষ্ঠীর হিসাব একাধিক ক্ষেত্রে থাকতে পারে।
হাসপাতালে ভর্তি বা গুরুতর আহতের সংখ্যা মোট আহতের সঙ্গে যোগ করবেন না।
০ টি নামযুক্ত নথি · পরিচয় ও মোট হতাহতের হিসাব আলাদা
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সত্তার প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষিত
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
নথিভুক্ত সম্পৃক্ততা ও আইনি অবস্থা
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
প্রতিবেদিত আইনি অবস্থা দেখানো হয়েছে; এটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘোষণা নয়।
প্রতিবেদিত পদক্ষেপ; অনির্দিষ্ট সময় অজানা হিসেবেই থাকে
সংযুক্ত প্রতিবেদনগুলোতে এই তথ্য এখনো নেই। অজানা মান শূন্য নয়।
সংযুক্ত প্রতিবেদনের প্রকাশক্রম
এই ধারায় প্রকাশের তারিখ দেখানো হয়েছে। আগের হতাহতের আলাদা হিসাব নেই; বর্তমান সংখ্যাকে প্রতিটি প্রতিবেদনের তৎকালীন সংখ্যা হিসেবে পড়বেন না।
প্রতিবেদিত ভৌগোলিক বিস্তার